Codenbox Advertisement

Vol: 13 / Issue: 214 / Thursday, August 28 2014 | TOLL FREE: 1-888-884-3777 / ISSN 1929-2759

Highlights

তর্জন-গর্জনের মধ্যে শূন্য চেয়ার বাঁকা আঙুল ও ভাঙা কোমর প্রসঙ্গ

শেখর দত্ত
বিগত ২০০৯ সালের নির্বাচনের ভেতর দিয়ে আওয়ামী লীগ জনগণের ভোট পেয়ে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকে এখ

Read More

শ্রমিক ঘাটতি পূরণে বিদেশী কর্মীদের সহায়তা নেবে জাপান

যোগাযোগ ডেস্ক
সম্ভাব্য শ্রমিক ঘাটতি মোকাবেলায় বিদেশী কর্মীদের ব্যবহার করা হবে বলে জানিয়েছেন জাপান

Read More

সৌদি আরবে ৬০% নারী নিরক্ষর

যোগাযোগ ডেস্ক
সৌদি আরবের নারীদের ৬০ শতাংশই নিরক্ষর। দেশটির কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ও তথ্য বিভাগ পরিচাল

Read More

পাঁচ হাজার বছর পর মানচিত্রে বাংলাদেশ থাকবে না?

যোগাযোগ ডেস্ক
সম্ভাব্য আগামী পাঁচ হাজার বছরের পরের ম্যাপে বাংলাদেশের কোনো অস্তিত্বই থাকবে না। এই

Read More

নতুন রেললাইন হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে

যোগাযোগ ডেস্ক
বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে নতুন রেললাইন নির্মাণ শুরু করেছে ভারত। ভারতের রে

Read More

মধ্যপ্রাচ্য সমস্যার শিকড় ওবামায়

যোগাযোগ ডেস্ক
আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাবারাক ওবামা আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার প

Read More

যৌতুক নয় 'লোভের আগুন'

এম এ বাশার
'যৌতুক' সমাজ জীবনের এক অভিশাপ। যৌতুকের কারণে পরিবার ও সংসারে সৃষ্টি হচ্ছে অশান্তি বিচ্ছিন্

Read More

জাতিসংঘের মতে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে প্রায় দুই লাখ নিহত

যোগাযোগ ডেস্ক
জাতিসংঘ মানবাধিকার দফতর বলছে, গত এক বছরে সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

Read More

ফরমালিন : নীরব ঘাতক

শাকেরা আহমেদ
মিনহাজ আমের খুব ভক্ত। মৌসুমের শুরু থেকেই সে আম কেনা শুরু করে। এবার মতিঝিল অফিসপাড়ার রা

Read More

ফোর্বসের প্রভাবশালী শহরের তালিকায় সপ্তম দুবাই

যোগাযোগ ডেস্ক
বিশ্বের শীর্ষ ১০টি প্রভাবশালী শহর নিয়ে করা মার্কিন ম্যাগাজিন ফোর্বসের তালিকায় উঠে এস

Read More

কানাডায় রুনা লায়লার কনসার্ট


কানাডা মাতাতে যাচ্ছেন উপমহাদেশের জীবন্ত কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী রুনা লায়লা। অক্টোবরের শুরুতে কানাডার তি

Read More

বন্যা আসে, বন্যা যায় যেন কোনো ব্যাপার নয়!


বেগম জাহান আরা
জল জঙ্গলে নাব্য এ দেশে আর্যরা থাকতে পারেনি। আমরা কিন্তু দিব্যি আছি। এ দেশের অনার্যরা

Read More

Home

নতুন রেললাইন হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত যোগাযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে

যোগাযোগ ডেস্ক
বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে নতুন রেললাইন নির্মাণ শুরু করেছে ভারত। ভারতের রেল মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ত্রিপুরার আগরতলা থেকে বাংলাদেশের আখাউড়া পর্যন্ত এ রেললাইন নির্মাণ করা হবে। এ লক্ষ্যে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মাঝে দ্বিপক্ষীয় চুক্তিও হয়েছে। ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ রেললাইন চালু করতে আনুমানিক ব্যয় ধরা হয়েছে ২৫২ কোটি টাকা। রেল মন্ত্রণালয় জানায়, মার্চ পর্যন্ত এরই মধ্যে এ প্রকল্পে ১০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এছাড়া প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য এরই মধ্যে জমি অধিগ্রহণ, ব্রিজ নির্মাণসহ যাবতীয় কাজ শুরু হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের নাগরিকরা সুবিধা পাবেন। ”

 

বন্যা আসে, বন্যা যায় যেন কোনো ব্যাপার নয়!


বেগম জাহান আরা
জল জঙ্গলে নাব্য এ দেশে আর্যরা থাকতে পারেনি। আমরা কিন্তু দিব্যি আছি। এ দেশের অনার্যরা একটুও পছন্দ করেনি আর্যদের। ওরা তাই ঐতরেয় ব্রাহ্মণ-এ লিখে গেছে যে, এ দেশের মানুষ বয়াংসি, ব্রাত্য, দস্যু ইত্যাদি ইত্যাদি। যাই হোক, নিজ ভূমি বলে কথা! তা এখানে বন্যাই হোক, আর খরাই হোক; আকাল আসুক বা যুদ্ধ বাধুক, সুনামি হোক বা দুর্নীতি হোক, আমরা কিন্তু মাটি কামড়ে থাকি। এখন জঙ্গল পাতলা হয়েছে, নদী-নালায় পানি কমেছে, মানুষ বেড়েছে, মাছ কমেছে, শস্য উৎপাদন বেড়েছে, হাঁস-মুরগির খামার বেড়েছে, রোগ-শোক বেড়েছে, আধুনিক শিক্ষার হার বেড়েছে এবং বেড়েছে জীবনের নানাবিধ যন্ত্রণা। আমরা ভূমিজ বাসিন্দারা যাইনি কোথাও। ঝড়-বন্যা আমাদের কাবু করে। তারাও অবশেষে ফিরে যায় কাবু হয়ে। আমরা মাথা তুলে দাঁড়াই আবার। কষ্ট করি। ক্ষতি হয় প্রচুর। তবু নিজের দেশ ফেলে যাই না। কোথায়ই বা যাব দেশ ফেলে? সোনার বাংলাদেশের অফুরন্ত সম্পদ তো একান্তই আমাদের। তবু সমৃদ্ধ করতে পারছি না দেশটাকে, সে আমাদের সার্বিক অর্বাচীনতা। সে কারণেই বন্যা রাক্ষুসী আমাদের প্রতি বছরের অবাঞ্ছিত অতিথি। সাধারণত বর্ষা শেষেই উপচে ওঠে নির্দয় বন্যা। ভাঙে নদীর পাড়। তলিয়ে যায় শত শত একর জমির শস্য। হারিয়ে যায় অজস্র গ্রামের ঘরবাড়ি, ফলদ, বনজ গাছগাছালি। মাতাল নদী সব অকাতরে গ্রাস করে বয়ে যায়। আমরা নির্বোধের মতো দেখি। মাতম করে সব হারানো মানুষ। দুর্যোগ প্রতিবিধানের জন্য সরকারি-বেসরকারি সাহায্য যায়। ত্রাণের জন্য হাজাকার করে দুর্গতরা। পত্রপত্রিকায় আহাজারির লেখা দেখা যায়। কিন্তু বন্যার ক্ষতি প্রতিকারের লক্ষ্যে শক্ত এবং বাস্তবমুখী পরিকল্পনার কথা কিছু শোনা গেলেও কার্যত তেমন কিছুই হয় না বলতে গেলে। একটা সময় ছিল, নদীর পানি নেমে গেলে চার জাগত। কিন্তু যাদের ঘরবাড়ি, শস্যক্ষেত ওই চরের এলাকায় থাকার কথা, তারা ফিরে পেত না সেই চর। জমিদাররা চর দখলের মারামারি করে তা দখল করত। নিঃস্ব মানুষ ভিখারি হয়ে যেত। এখন তো জমিদার নেই। তো ওই চরগুলো কারা নিয়ন্ত্রণ করে? সর্বস্ব হারানো মানুষ কি ফিরে পায় তাদের জমিটুকু? পদ্মাপাড়ের মানুষ আমি। উদ্দাম, উথাল-পাথাল পদ্মা আমি দেখেছি। ব্রিটিশরাজের দেয়া শক্ত বাঁধে কী প্রবল আক্রোশে ঢেউগুলো নিরন্তর আছড়ে পড়ত! বর্ষায় নদীর উচ্চতার চেয়ে শহরের জমি নিচে। কোনো এক জায়গায় বাঁধ ভেঙে গেলে কয়েক মিনিটের মধ্যে পুরো শহর ডুবে যাবে বুক পর্যন্ত পানিতে। কিন্তু না, ভাঙেনি। দ্বীপবাসী ব্রিটিশরাও তো পানি শাসন করে বেঁচে থাকে। তাই শক্ত বাঁধের ক্ষেত্রে আপস করেনি তারা। সুফল পেয়েছি আমরা। ফারাক্কা বাঁধের পর পদ্মার উত্তাল যৌবন শুকিয়ে গেল। রুগ্ন নদী চলে গেল অনেক দূরে। সেখানেও দ্বিতীয় বাঁধ দেয়া হলো। সে বাঁধও ভাঙেনি। পর্যাপ্ত চরের জমি পাওয়া গেছে। বসতি হয়েছে। শস্যও ফলাচ্ছে মানুষ। খুব একটা পরিকল্পিত কিছু নয় সেগুলো। বহুবার লেখালেখি করেছি, পরিকল্পিতভাবে শুকনো মৌসুমে প্রতি বছর বেশ কয়েক কিলোমিটার করে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে বন্যা রোধের উদ্যোগ নিতে হবে। মানে বন্যা প্রতিরোধ চাই, ত্রাণ দিয়ে প্রতিকার নয়। আর বাঁধ নির্মাণ করতে হলে স্বাভাবিকভাবেই নদী খনন হবে। কারণ পর্যাপ্ত বালু-মাটি লাগবে বাঁধের জন্য। বিপুল জনসংখ্যার এই দেশে শ্রমদানের মানুষও সুলভ। টাকা নেই আমাদের, সে কথা শত্রুও বলতে পারবে না। আমরা তো এখন বুঝতে পারি, কোনো দাতাগোষ্ঠী আমাদের বন্যা সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়তো চায় না। কিন্তু আমরা চাই। আর্য প্রভুত্ব না মেনে যে অনার্য মানুষ সেই কোন অনাদিকাল থেকে দেশের মাটিকে ভালোবেসে আসছে, তারা মানে তাদের বংশধর এই আমরা তো চাই যে নদী শাসন হোক। আর বন্যা প্রতিরোধক বাঁধ নির্মাণ বর্তমান যুগে অসম্ভব কোনো কাজ নয়। গত বছর ফিলিপাইনে গেলাম। এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে। দেখলাম বাঁধ দিয়ে ঘেরা ম্যানিলা শহরকে। বাঁধের ওপর দাঁড়ালে রোমাঞ্চ জাগে থইথই ঘোলা পানির দোলায়িত ঢেউ দেখলে। একটু জোরে বাতাস বইলে বাঁধের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া রাস্তা এবং রাস্তা ও বাঁধের মধ্যবর্তী কিছু জায়গায় পানির ছিটা উড়ে আসে। মানুষই তো করেছে সমুদ্র শাসন? দেখেছি শ্রীলংকায়। সমুদ্রের পানি দিয়ে ঘেরা বন্দি দ্বীপ। কঠিন শাসনে বাঁধা সাগরের ক্রোধ। বড় বড় পাথরে ঢেউ এসে আছড়ে পড়লে উঁচুতে ছিটকে ওঠে পানি। দেখেছি মালদ্বীপেও। মালের মতো ছোট্ট একটা দ্বীপের চারপাশে শক্ত বাঁধ। মানুষই তো করেছে? তাহলে আমরা পারব না কেন নদী শাসন করতে? বর্তমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির যুগে নদীর দাপট মেনে নেয় না মানুষ। সুইজারল্যান্ডে দেখলাম, নদীর পথ ঘুরিয়ে দিচ্ছে। ওরাও তো মানুষ। আমাদের দেশেও কি হয়নি বড় বড় সেতু? নদীর বুকে যোদ্ধার মতো দাঁড়িয়ে আছে সেতুগুলো। কী অনায়াসে তার ওপর দিয়ে মানুষ এবং যানবাহন যাচ্ছে! একটা প্রামাণ্য ছোট্ট ছবিতে দেখলাম, সুনামি-আক্রান্ত এলাকার মানুষ কাদার চাঁই তৈরি করে বাঁধ দিয়েছে এলাকা বাঁচাতে। তারা জানে, এ বাঁধ টিকবে না। কিন্তু কিছু প্রতিরোধ তো হবে। ওইসব কর্মীর শ্রম নিয়ে এলাকাভিত্তিক ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলোয় প্রতি বছর শুকনো মৌসুমে ধাপে ধাপে বাঁধ তৈরি করা যায়। কাজগুলো স্থানীয় নেতা এবং এমপিরাই করতে পারেন। তাদের হাতে উন্নয়ন খাতের টাকা থাকে। অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে নদী ভাঙন না ঠেকালে আজকের উন্নয়ন ভেসে যাবে কালকে। তাহলে লাভ কী হলো? এসব কথা কি বলে বোঝাতে হয়? বন্যাদুর্গত মানুষের চরম দুর্ভোগের সচিত্র প্রতিবেদন টিভিতে দেখানো হয়। তাতে আমাদের দুঃখ বাড়ে। অসহায়ত্ব খোঁচায় বিবেককে। আবালবৃদ্ধবনিতার অমানবিক কষ্ট, কান্না আর হুতাশ দেখে কী করতে পারে সাধারণ মানুষ? এক টিভি প্রতিবেদনে দেখলাম, বাড়িঘর, দোকানপাট ছেড়ে আতঙ্কিত মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। তাদের চোখের সামনে গাছগাছালি, বাড়ি, দোকান সব আস্তে আপসে হেলে পড়ে গেল নদীর অতলে। দুঃসহ দৃশ্য! পত্রিকান্তরের প্রতিবেদনে দেখা যায়, শুধু বন্যা নয়, পানিবন্দি মানুষের সংখ্যাও প্রচুর। বিশেষ করে গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা উপজেলার বন্যাকবলিত ২১ ইউনিয়নের বাড়িঘরের অধিকাংশই পানিবন্দি। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নেয়ারও ঠাঁই নেই। অন্যদিকে কামারজানি, মোল্লারচর, কাপাসিয়া, হরিপুর, তারাপুর, গিদারি, খাগোয়া, কথিতপাড়া, ফজলপুর, এডেন্দ্রাবাড়িসহ ২১ ইউনিয়নের পানিবন্দি মানুষের দুর্দশা তীব্র আকার ধারণ করেছে। চারদিকে পানি। কোথাও শুকনো জায়গা নেই। ঘরের মধ্যে উঁচু করে মাচা বেঁধে শিশু ও মহিলাসহ বাড়ির লোকজন কোনোমতে বসে থাকে। গবাদিপশু কোথায় রাখবে? খাওয়া-দাওয়া হয় কীভাবে? রোগ-শোক, মৃত্যুর মোকাবেলা করে কীভাবে? ১৯৫৪ সালের বন্যায় মৃত মানুষকে ভাসিয়ে দিতে হতো। এসব অঞ্চলেও হয়তো তা-ই করা হয়। সব খবর তো আমরা পাই না। এই পানির দেশে বন্যা মোকাবেলায় কয়েক লাখ স্পিডবোট কিংবা আশ্রয় নৌকাও তো থাকতে পারে। সাময়িকভাবে লঞ্চে আশ্রয় দেয়ার ব্যবস্থাও তো করা যায়। এটা অবাস্তব, অসম্ভব কোনো কথা কিন্তু নয়। পানিবন্দি মানুষের মলমূত্র ত্যাগের জায়গা নেই। রান্নার জায়গা নেই। খাওয়ার পানি পর্যন্ত নেই। দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় নিশ্চয়ই সব খবর জানে। প্রতিরোধের কী ব্যবস্থা তারা নিয়েছে, কেমন সে ব্যবস্থা, তা আমরা জানি না। শুধু তো মানুষের কষ্ট নয়, হাজার হাজার হেক্টর জমির ধান, পাট, অন্যান্য ফসলও ডুবে গেছে বন্যার পানিতে। এই ক্ষতি কি শুধু বানভাসি মানুষের বা কৃষকের? এটা তো সারা দেশের সর্বনাশ। রোদ-বৃষ্টিতে পুড়ে-ভিজে ওরা ফসল ফলায় বলেই আমরা ১৬ কোটি লোক খেতে পাই। আমাদের নিজস্ব ফসল আদা, রসুন, পেঁয়াজ এখন আমদানি করে খাই। বন্যায় মানুষ এবং ফসল ডুবলেও আমরা চুপ থাকি। অতি উচ্চ দামে আদা, রসুন, পেঁয়াজ কিনতেও অসন্তোষ প্রকাশ করি না। আমরা মনে করি, ঝলমলে ঢাকা শহর এবং অতিসচ্ছল নগরবাসীর সমন্বয় বাংলাদেশ। আশ্চর্য নিরাসক্ত নিশ্চেষ্ট উদাসীনতার মধ্যেই আমরা খুশি এবং সুখী থাকি। একবার কোনো এক গোলটেবিল বৈঠকে দারিদ্র্য দূরীকরণ প্রসঙ্গে দুরন্ত আলোচনার ফাঁকে বলেছিলাম, আমাদের দেশে দারিদ্র্য দূরীকরণের আগে দারিদ্র্যের কারণগুলো দূর করতে হবে। ভিক্ষে দিয়ে মানুষকে সচ্ছল করা যায় না। প্রতি বছর শুধু নদী ভাঙনে যে ক্ষতি হয়, এ দেশে দারিদ্র্য স্থায়ী হওয়ার জন্য তা-ই যথেষ্ট। নদী ভাঙনের ফলে ছিন্নমূল মানুষ আর কোনো দিন স্বাবলম্বী হয় না। নিঃস্বতাই ওদের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত হয়ে যায়। বন্যা এ দেশে নতুন নয়। এ দুর্যোগের পূর্বাভাসও পাওয়া যায়। তাই বলতে চাই, পরিকল্পনার মাধ্যমে ক্রমে ক্রমে বন্যাপ্রবণ এলাকাগুলোয় শক্ত বাঁধ দিয়ে নদীশাসন করতেই হবে। অন্ন চাই, বস্ত্র চাই, শিক্ষা চাই, বাসস্থান চাই। এর পাশাপাশি এখন বলতে হচ্ছে, সুশাসন চাই এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ চাই। আর কত কষ্ট করবে এ দেশের মাটিঘেঁষা মানুষের? ওরা তো আমাদেরই লোক! এ দেশের মাটিকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে ওরাই। সে কথাটাও বলতে জানে না ওরা।
-বেগম জাহান আরা: অধ্যাপক ও কলাম লেখক ”

 

Jogajog Current Issue
Jogajog Archive

Rafique Bhuiyan, Chief Editor, Weekly Jogajog- Published From Charka Advertising Inc.

PO BOX-32169,109- 2223 VICTORIA AVENUE REGINA. SK. S4N7L2, Canada .

Toll Free - 1.888.884.3777, 1.306.999.3077 Email: info@thejogajog.com, Copyright © 2014-2015 www.thejogajog.com